April 20, 2026, 5:00 am

গাজীপুরে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির চেষ্টাকালে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের ০৪ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১ । ভূয়া ডিবি জ্যাকেট, ওয়াকিটকি সেট, হ্যান্ডকাফ, পুলিশ ইউনিফর্ম উদ্ধার।

*বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তি* এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ০১ ডিসেম্বর ২০২১ তারিখ ০৬৩০ ঘটিকায় র‌্যাব-১, উত্তরা, ঢাকার একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল থানাধীন মীরেরবাজার তালটিয়া বাসষ্ট্যান্ড এলাকাস্থ রানা সিএনজি ষ্টেশন এর সামনে রাস্তার উপর অভিযান পরিচালনা করে ডিবি পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য ১) মোঃ আব্দুল মান্নান মিয়া (৪৭), পিতা- মৃত আব্দুল জলিল মিয়া, জেলা- ঢাকা, ২) মোঃ জুলফিকার আলী বাবু (৩৫), পিতা- মোঃ কামাল হোসেন, জেলা- গাজীপুর, ৩) মোঃ লুৎফর রহমান আশিক (২৫), পিতা- মোঃ কামাল হোসেন, জেলা- গাজীপুর ও ৪) মোঃ সাইফুল ইসলাম (১৯), পিতা- মোঃ শহিদুল ইসলাম, জেলা- গাজীপুর’দেরকে গ্রেফতার করে। এ সময় ধৃত আসামীদের নিকট হতে ০২ টি খেলনা পিস্তল, পুলিশ ইউনিফর্মের ০৪টি শার্ট ও ০৩টি প্যান্ট, ০৪টি ডিবি জ্যাকেট, ০২টি পুলিশের কটি, ০১টি রেইনকোর্ট, ০৩টি ক্যাপ, ০১টি বেল্ট, ০১জোড়া বুট, ০২টি ম্যাগাজিন পাউচ, ০১টি হ্যান্ডকাফ, ০১টি লাইট, ০১টি ওয়াকি-টকি সেট, ০১টি বুলেট প্রæফ জ্যাকেট, ০১টি সিআইডি নোটবুক, ০১টি হাতঘড়ি, ০৩টি ম্যানিবাগ, নগদ ১০০০/- টাকা ও ০৫ টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।

৪। গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করে। তারা পরস্পর যোগসাজশে ডিবি পরিচয়ে দীর্ঘদিন যাবৎ গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী এবং আশেপাশের এলাকায় সাধারণ লোকজনকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে মোবাইল, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার ও মূল্যবান সামগ্রীসহ সর্বস্ব ডাকাতি করে নিয়ে যায়। এই চক্রের সদস্যরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী বিভিন্ন টার্গেট ঠিক করে নির্জনে বা বাসায় ডিবি পরিচয়ে হানা দিয়ে উদ্ধার বা বাজেয়াপ্তকরণের নামে টাকা ও অন্যান্য মূল্যবান দ্রব্যাদি ছিনিয়ে নিত।

৫। ধৃত আসামীদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উক্ত অপরাধ চক্রের মূল হোতা ধৃত আসামী মোঃ আব্দুল মান্নান এবং আরেক সদস্য জুলফিকার আলী বাবু গত ২০১৬ হতে ২০১৮ সাল পর্যন্ত ইস্কাটন রোড পুলিশ অফিসার্স মেসে মেসওয়েটার হিসেবে চাকুরি করতো। পরবর্তীতে সে পুলিশ অফিসারদের কর্মপন্থা অবলোকন করে নিজেই ডিবি পুলিশ সেজে ডাকাতি করার পরিকল্পনা করে। এই চক্রটি প্রায় দুই বছর যাবত আনুমানিক ১২/১৫ টি এহেন কুকর্ম সংঘঠিত করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আরো কয়েকজন ব্যক্তির এই চক্রের সাথে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তাদেরকে গ্রেফতারের প্রক্রিয়া চলমান।

৬। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।

এই বিভাগের আরও খবর


অ্যামোনিয়া সংকটের কারণে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় অবস্থিত দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) সারকারখানার উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে কারখানার অ্যামোনিয়া মজুদ শেষ হয়ে গেলে কর্তৃপক্ষ সার উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয়। ডিএপিএফসিএল সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ মার্চ গ্যাস সংকটের কারণে চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (সিইউএফএল) এবং কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (কাফকো)-তে ইউরিয়া সার ও অ্যামোনিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। অথচ ডাই-অ্যামোনিয়া ফসফেট ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড (ডিএপিএফসিএল) প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই দুই কারখানা থেকে অ্যামোনিয়া সংগ্রহ করে সার উৎপাদন চালিয়ে আসছিল। ফলে সিইউএফএল ও কাফকো বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ডিএপিএফসিএলে অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে পড়ে। এ অবস্থায় মজুদ অ্যামোনিয়া ব্যবহার করে কিছুদিন উৎপাদন অব্যাহত রাখা হলেও শেষ পর্যন্ত শনিবার সন্ধ্যায় তা ফুরিয়ে যায় এবং উৎপাদন বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দেশের কৃষি খাতে সুষম সার ব্যবহারের নিশ্চয়তা এবং নাইট্রোজেন ও ফসফরাসসমৃদ্ধ যৌগিক সারের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে বিসিআইসি নিয়ন্ত্রিত এই কারখানাটি প্রতিষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়ায় স্থাপিত কারখানাটিতে দৈনিক ৮০০ মেট্রিক টন উৎপাদনক্ষমতাসম্পন্ন দুটি ইউনিট (ডিএপি-১ ও ডিএপি-২) রয়েছে। ২০০৬ সাল থেকে কারখানাটি বাণিজ্যিক উৎপাদনে রয়েছে। ডিএপিএফসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মঈনুল হক জানান, গত ৪ মার্চ থেকে অ্যামোনিয়া সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। মজুদ দিয়ে উৎপাদন চালানো হলেও এখন তা শেষ হয়ে গেছে। অ্যামোনিয়া সরবরাহ পুনরায় চালু না হওয়া পর্যন্ত কারখানার উৎপাদন বন্ধ থাকবে।

ফেসবুকে আমরা